Honours, Summary, Summary & Analysis

The Waste Land What the thunder said Bengali translation

The Waste Land – What the thunder said – bengali translation, Word meaning, synopsis,- দ্যা ওয়েস্ট ল্যান্ড-হোয়াট দ্যা থান্ডার সেইড অনুবাদ, শব্দার্থ, টিকা ও সারাংশ

The Waste Land –  What the thunder said – bengali translation, Word meaning, synopsis,- দ্যা ওয়েস্ট ল্যান্ড-হোয়াট দ্যা থান্ডার সেইড অনুবাদ, শব্দার্থ, টিকা ও সারাংশ

বঙ্গানুবাদ

ঘর্মাক্ত সব মুখে, মশালের আলো ফেলার পর

নীরব করলে বনানীকে, তুষার

ক্লিষ্ট হলে সেথা, যেথা পাথর কারাগার

সন্ধিগ্ন জনতার উন্মত্ত চিৎকার

প্রাসাদে, কারায় তোলে প্রতিধ্বনি

দূর পাহাড়ে, বসন্ত দিনে বজ্রের ধ্বনি

জীবিত ছিল যে মানুষটি সে এখন মৃত

জীবিত আমরা যারা মরছি নিয়ত

প্রতি পলে প্রতিদিন

জল নেই হেথা ধূ ধূ চারিধার, শুধুই পাথর

শুধুই পাথর জলহীন রুক্ষ বালির পথ

পাকিয়ে বাঁকিয়ে সে পথ হারিয়েছে পর্বতে

সে সব পর্বত পাথুরে রুক্ষ, জলহীন

থাকত যদি একটু জল পান করতাম আঁজলা ভরে

তিষ্ঠাবার ক্ষণ; একটু ভাবনার কাল, নেই এই উষর প্রান্তরে

শুষ্ক ঘাম আর পায়ের তলায় বালি

পাথরগুলোয় থাকত যদি জল একটুও!

আছে শুধু মুখ ব্যাদান করা পাহাড়গুলোর ক্ষয়ে যাওয়া দাত, শুকনো গলা

না যায় শোয়ানা যায় বসা, না যায় পথচলা

নীরবতাও নেই পাহাড় সোপানে

বৃষ্টিহীন বজ্রধ্বনি গর্জে ক্ষণে ক্ষণে

শান্তিও নেই পাহাড় সোপানে

ভুতুড়ে সব মুখগুলো শুধু ভেংচি কাটে

দরজা খুলে ফাটল ধরা বাটে

যদি জল থাকত

কোনো পাথর না থেকে

যদি পাথর থাকত

এবং জলও থাকত

এবং জল

এবং এক ঝরনা

পাথরে এক হ্রদ থাকত

যদি শুধুই জলের ধ্বনি শোনা যেত ।

ঘুগরা পোকার কর্কশ রব শোনা না যেত।

এবং শুকনো ঘাসের আওয়াজ

পাইন গাছে ময়নারা গান গায়

শুধুই জলের ধ্বনি, পাথরের ওপর নয়।

টিপ টপ টিপ টপ টপ টপ টপ

কিন্তু কোনো জলই নেই কোথা

তৃতীয় কে একজন সদা চলে তোমার পাশে?

গুনে দেখি, তুমি আর আমি এক সাথে

কিন্তু যখন তাকাই সম্মুখে শ্বেত পথে

দেখি, কে যেন সদা চলে তোমার পাশে

চলে, বাদামি কাপড় গায়, ঘোমটা ঢাকা প্রায়

জানি না সে, পুরুষ কিংবা নারী

কিন্তু কে, তোমার ও পাশে

বাতাসে এ কীসের হাহাকার

কোথা কাঁদে যেন জননী কার

মুখ ঢাকা ওই কারা ঝাঁক বেধে যায়।

বিস্তীর্ণ সমতলে হেঁটে, চৌচির মাটিতে হোঁচট খায়।

দিগন্তে অর্ধবৃত্ত রেখা

পাহাড়ের পরে কোন সে শহর যায় দেখা

ভাঙে গড়ে আর বিস্ফোরিত হয় নীল ধোঁয়ায় ।

গজদন্ত মিনার সব ধসে যায়

সেকী জেরুসালেম এথেন্স আলেকজান্দ্রিয়া

ভিয়েনা লন্ডন

সব মেকি

নারী এক দীঘল কালো কেশ বাঁধে কষে

করুণ সুরে বেহালা বাজিয়ে তায়

শিশু-মুখো বাদুড়গুলো নীল আলোতে, শেষে

শিস বাজিয়ে, ডানা ঝাপটে যায়।

কালো দেয়ালে আছড়ে পড়ে নীচে

মিনারগুলো উন্টে পড়ে

প্রহর গুনত যারা, স্মৃতি গড়ে গড়ে

শূন্য জলাধার জলাশয়, শূন্য সুর শোনায় পিছে

পাহাড়ের এই ধ্বংসাধারে

চাদের মরা তৃণে গান বাজে

গির্জাটিার চারপাশে, কবর এলোমেলো

শূন্য গির্জা, হাওয়ার খেলাঘর।

জানালাহীন গির্জার দোদুল দরজা।

শুকনো সব হাড়ের, সাধ্য কি কারো ক্ষতি করার!

শুধু একটা মোরগ দাঁড়িয়ে ছাদের পর

কু কু রি কো কু কু রিকো

বজ্রপাতের চমক শেষে। ঠান্ডা হাওয়া আসে ভেসে

নামে বৃষ্টি সবশেষে ।

গঙ্গার জল নেমেছিল তলে, পাতা সব অর্ধমৃত

বৃষ্টি প্রতীক্ষায়, গাঢ় মেঘে আকাশ আবৃত

দূরে বহুদূরে, হিমালয়ের গায়

তৃষ্ণার্ত পশুরা বনে জল প্রতীক্ষায়

হঠাৎ বজ্রধ্বনি শুনি

ডা–

দাত্তা : কৃতজ্ঞতায় সমর্পিত হয়ে, করেছি দান কী বা?

অনুতাপে দগ্ধ হয়েছি কী, বন্ধু

নিবেদিত হয়েছি কী ঈশ্বর ইচ্ছায়

অতি প্রজ্ঞায়, অতি হিসাবে সম্ভব নয় তা

সমর্পণে, আত্মত্যাগেই বেঁচেছে মানব জাতি

সে ত্যাগ, সমর্পণের উল্লেখ তেমন কোথাও কি দেখি

স্মরণ গাথা রচিত যাও সমাধি ফলকে, তাও বিস্তৃত প্রায়;

মৃতের দান পত্র আইনজ্ঞের দৃষ্টির তলায়

তার শূন্য ঘরে।

ডা–

দয়াদভম : দরজায় চাবির শব্দ শুনেছি।

একবারই খুলেছিল, একবারই বন্ধ হয়েছিল দরজাটি

সেই থেকে আজ অবধি আমরা সবাই নিজের মাঝেই বন্দি

কভু খুলবে না জেনে, আমরা স্বেচ্ছা বন্দি

রাত্রি নামে যখন, বাতাসে গুজব ছড়ায় তখন

পলের তরে মুক্ত নাকি কোরিওলেনাস এখন

ডা–

দম্যতা : জীবন-তরী স্পন্দিত

আনন্দে, দক্ষ দাড়ির দাঁড়ে আর পালে।

সাগর ছিল শান্ত, হৃদয় তাই নির্ভাবনায় নিবেদিত

সানন্দে, সানুগত্যে

নিয়ন্তা হাতের কাছে

সৈকতে বসেছিলাম একাকী

মৎস্য শিকার, পেছনে আমার বিশাল ঊষর ভূমি

ঊষর ভূমি পুনরুজ্জীবনে প্রয়াসী হবো না কি?

পড়ছে ধসে লন্ডন ব্রিজ নীচে নীচে আরো নীচে

পবিত্রতার আগুনে পুড়েই আত্মশুদ্ধি আসে

সেই চাতক পাখির মতো

একুইতানের যুবরাজের মতো

উদ্ধৃত এসব কথা আত্মধ্বংস রোধে

হায়ের নিমোর উন্মাদনা গ্রাসে আমার বোধে।

দাত্তা। দয়াভাম। দম্যতা

ওম শান্তি ওম শান্তি ওম শান্তি

সারাংশঃ

পাশ্চাত্য ও প্রাচ্যের সব ধর্মের সারবস্তুর আলোকে মানবজাতির আত্মিক পুনর্জাগরণের বিষয়ই হচ্ছে কবিতাটির প্রধান প্রতিপাদ্য বিষয়। খ্রিষ্টান ধর্মে প্রচলিত, নৃতাত্ত্বিক বর্ণনার বিভিন্ন উপাখ্যান উদ্ধৃত করে মানবজাতির পুনর্জন্মের বিষয় দিয়ে কবিতার শেষাংশ শুরু হয়। উষর, অনুর্বর আত্মিকভাবে মৃত মানুষের পুনর্জন্মের সম্ভাবনার আশায় ভারতীয় ধর্মের : দাত্তা, দায়াদভম, দম্যতা বজ্রবাণীর উল্লেখ করা হয়। সবশেষে, ধ্বংসোন্মুখ মানবতার মুক্তি চাওয়া হয়েছে শান্তি-শান্তি-শান্তি প্রার্থনা করে।

ব্যাখ্যা ও টিকাসমূহঃ

১। কারাগার- যিশু খ্রিষ্টের বিচার ও কারাবাস।

২। বজ্রের ধ্বনি- যিশু খ্রিষ্টকে এক ক্রুশবিদ্ধ করার সময় পৃথিবীকে কাপিয়ে বজ্রধ্বনি হয়েছিল বলে খ্রিষ্টানদের বিশ্বাস।

৩। চাবি-দান্তের(Dante) ‘ইনফার্নোতে (Inferno),
বর্ণিত যে ওগলিনো বন্দিদশায় কারাগারের দ্বার খুলতে চাবির শব্দ শুনেছিল। উপবাসী কারাবাসীদের কারাবদ্ধ করে চাবিটি নিকটস্থ নদীতে ছুঁড়ে ফেলা হয়েছিল।

৪। কোরিওলেনাস – শেক্সসপিয়রের কোরিওলেনাস নাটকের নায়ক। কোরিওলেনাস ছিলেন অত্যন্ত উদ্ধত ও অহঙ্কারী। যখন কোরিওলেনাসের মা তাকে তার নিজ নগরী ধ্বংস না করার নির্দেশ দেন তখন কোরিওলেনাস দ্বন্ধে পড়ে যান- বীর হিসেবে তার দর্প আর বিবেকের কাছে আনুগত্য- এ’ দুয়ের দোটানায় পড়ে যান। এখানে আত্ম দম্ভ নিরসন করে অন্যের প্রতি সহানুভূতিশীলতা বুঝাতে কোরিও লেনাসকে দেখানো হচ্ছে।

৫। নিয়ন্তা- ঈশ্বর।

৬। লন্ডন ব্রিজ- আধুনিক সভ্যতাকে বুঝাচ্ছে।

৭। চাতক পাখি- পুরাণে বর্ণিত, ফিলোমেলা ও তার বোন প্রসনী। প্রসনী চাতক পাখি হয়ে গিয়েছিল। পুনর্জন্মের প্রতীকার্থে উপমাটি ব্যবহৃত।

৮। একুইতান- ইতালীয় কবিতায় উদ্ধৃত যুবরাজ একুইতান। আত্মিক মুক্তির জন্য প্রয়োজনীয় নির্মোহ অর্থে ভাব অর্জন একুইতানকে উল্লেখ করা হয়েছে।

৯। হায়েরনিমো- টমাস কীডের ‘স্প্যানিশ ট্রাজেডির একটি চরিত্র’।

শব্দার্থঃ

Gliding – গড়িয়ে পড়া।

Wrapt – আবৃত।

Mantle – লম্বা পোশাক।

Hooded – আবৃত।

Lamentation- বিলাপ ।

Hord – দল।

Swarming – ঝাকে ঝাকে আসা।

Stumble – হোচট খাওয়া ।

Cracked – ফাটল ধরা।

Cicada – যুগরা পোকা।

Fiddled – বেহালা বাজানো।

Whisper – ফিসফিস করে কথা বলা ।

String – তার।

Whistle – শিস বাজানো।

Reminiscent – স্মরণ করিয়ে দেয় এমন।

Cistern – জল জমা রাখার পাত্র।

Exhausted – ক্লান্ত, অবসন্ন, শূন্য।

Crouched – বেড়ে ওঠা, হামাগুড়ি দিয়ে ওঠা।

Humped – কুঁজো, ন্যুজ ।

Surrender – আত্মসমর্পণ করা।

Prudence – প্রজ্ঞা।

Retract – ফিরিয়ে নেয়া।

Obiturary -মৃত্যু।

Draped – সজ্জিত।

Beneficient – উপকারী।

Solicitor – আইনবিদ।

Aetheral – বায়বীয় মাধ্যমে।

Rumour – গুজব।

Confirm – নিশ্চিত করে।

Revive – পুনর্জীবিত করা।

Respond – জবাব দেয়া।

Obedient – অনুগত।

Fragments – খণ্ডাংশ।

Shored – তীরে পৌছা।

 

 

————————————————————————————————————————————————————————————

Read More...

##Discuss the three stages of Chaucer’s poetic development. /Chaucer as a poet.

##Why is Chaucer called the father of English poetry?

##What picture of Anglo Saxon life do you get in Beowulf?

##What is Romanticism? Discuss salient features of Romanticism with special reference to W.Wordsworh and John Keats.

 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *